<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
  <channel>
    <title>Amarbokbok</title>
    <link>https://amarbokbok.vercel.app</link>
    <description>আহম্মাদ রবিনের ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট আমার বকবক এর সর্বশেষ ব্লগ পোস্টসমূহ</description>
    <language>bn-BD</language>
    <lastBuildDate>Thu, 08 Oct 2026 20:14:05 GMT</lastBuildDate>
    <atom:link href="https://amarbokbok.vercel.app/feed.xml" rel="self" type="application/rss+xml"/>
    
    <item>
      <title>জ্বিন ক্যাচিং সম্পর্কে </title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/jin-catching</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/jin-catching</guid>
      <description>[শাইখ মুহাম্মাদ আল-হীলাহ এর বক্তব্যের অনুবাদ]

(শাইখ প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা, দরূদ ও দুআ&apos; পাঠ করেন)

ভাই আব্দুল রউফ বেন হালিমা, আল্লাহ, আমাদের ক্ষমা করুন, তাকেও ক্ষমা করুন, যদি তিনি চান। 

সে একদিন আমার সাথে যোগাযোগ করল। সে চায় যেন আমরা একসাথে কাজ করি। ফোনে কথা বলার সময় আমি জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কোন ক্ষেত্রে একসাথে কাজ করতে চাও? তখন সে বলল, সে কয়েকটি দেশে বিশেষ করে ইউরোপে শরঈ রুকইয়াহ করে। সে  তিউনিসিয়াতে এসেছিল। সে  চেয়েছিল আমরা (তিউনিসিয়াতে) একসাথে কাজ করি। সে আমাকে এক ধরনের &quot;রুকইয়াহ&quot; র কথা বললো, সে যেটাকে রুকইয়াহ মনে করে। কিন্তু এটা শরঈ রুকইয়াহ নয় কয়েকটি কারণে। তখন আমি তাকে আমার বাড়িতে আসতে বললাম। সে আমাকে &quot;জ্বিন ক্যাপচার&quot; নামে এক প্রকার &quot;রুকইয়াহ&quot; র দেখালো। 

দাওয়াত পেয়ে সে আসলো, তার সাথে আরেকজন ছিল, the mediator, (the catcher) হতভাগ্য মেডিয়েটর। তার আসার পর আমি আরও কয়েক ভাইকে ডাকলাম যেন আমাদের সাথে থাকে। সে তার &quot;রুকইয়াহ&quot; প্রক্রিয়া ব্যখ্যা করলো এভাবে, কিছু জিনে আসর করা লোক সুস্থ হলেও তার মধ্যে জিন প্রবেশ করার জন্য একটা সহজ রাস্তা খোলা থাকে। {**এরাই পরবর্তীতে ক্যাচার হয়- আহমাদ রবীন}
এর মূল বিষয়টা হলঃ যখন জিনে বা শয়তানে আসর করা কেউ তার কাছে আসে তখন সে জিনকে চালান দিয়ে/ডেকে/এনে/ধরে ঐ ক্যাচারের শরীরে প্রবেশ করায়। এরপর ক্যাচারের মাধ্যমের জিনের</description>
      <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 14:59:31 GMT</pubDate>
      <category>জ্বিন</category><category>অনুবাদ</category>
    </item>
    <item>
      <title>অযুর পানি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/abolution-water</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/abolution-water</guid>
      <description>বিসমিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আ&apos;লা রসুলিল্লাহ

অযুর পানি হল সেই পানি যা অযু করার পর ড্রেনে চলে যায়। অযু করার পর মগে/বদনায় যে পানি বাকি রয়ে যায় সেটা না।

এখন ড্রেনে চলে যাওয়া পানি ধরার উপায় কী? মাথা খাটালেই হয়। কলের নিচে বালতি দিয়ে এরপর কল ছেড়ে পানি অযু করা। এতে ধোয়া পানি বালতিতে পড়বে।

অযুর পানি নাপাক নয় এটাই প্রসিদ্ধ/গ্রহণযোগ্য মত। কিন্তু এর পাক করার ক্ষমতা নেই। অর্থাৎ কারও অযুর পানি দিয়ে অন্য কেউ অযু করলে বা ফরজ গোসল করলে দ্বিতীয় ব্যক্তির পবিত্রতা হাসিল হবে না। (হা কারও অঙ্গে নাপাকি লেগে থাকলে সেটা ধোয়ার জন্য অযু করলে সেই পানি নাপাক &quot;হতে&quot; পারে।)

এই পানি বদনজরের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। আপনার উপর যদি কারও বদনজর লাগে তাহলে তার অযুর পানি নিন। এরপর গায়ে ঢালুন। পিছন দিক থেকে ঢাললে ভাল বলে কিতাবে পেয়েছি। সেটা না হলে সামনে দিয়েই ঢালুন, ঢাললেই হল। সাথে সাথে সুস্থ হবেন ইংশা আল্লাহ।

কুলি করা পানিও নিবেন।
নাক ধোয়া পানিও নিবেন।
পা ধোয়া পানিও নিবেন।
কেউ কেউ লজ্জাস্থান ধোয়া পানিও নিতে বলেছেন। (আমরা বলি না এটা। আপনি নিতে চাইলে নিবেন।)

আপনার যদি কুলির পানি, নাকের পানি, পায়ের পানি নিতে এতই অস্বস্তি লাগে তাহলে ভালভাবে দাত মাজিয়ে, সুগন্ধি সাবান দিয়ে হাত-পা ধুইয়ে এরপর পানি সংগ্রহ করুন। আর নিজের গায়ে ঢালার পর ভালমত গোসল দিন।

হাদিসে বদনজরের চিকিৎসায় অযুর পানি</description>
      <pubDate>Mon, 21 Jul 2025 14:22:35 GMT</pubDate>
      <category>বদনজর</category>
    </item>
    <item>
      <title>ফুল পিঠা তৈরির উপায় </title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/fulpitha</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/fulpitha</guid>
      <description>ফুল পিঠা বানানো আমার মতে পিঠা সমূহের মধ্যে সবচে&apos; কঠিন ও শ্রমসাধ্য। ব্যয়বহুলও বটে। প্রচুর সয়াবিন তেল ও আখের গুড় এই পিঠার খাবার। ছোট বেলায় দেখতাম এক বাড়িতে যখন এই পিঠা বানানো হত তখন আশেপাশের যারা পারে (মহিলারা) তারা চলে আসতো বা তাদেরকে আগেই বলে দেয়া হত যেন চলে আসে। এভাবে সবাই সবাইকে হেল্প করতে করতে সবার পিঠা হয়ে যেত। সাধারণত উৎসবে এই পিঠা বানানো হয়। এই পিঠার একটা সুবিধা হল দীর্ঘদিন পর্যন্ত রেখে খাওয়া যায়। ঠিকমত বানাতে পারলে এই পিঠা সবাই পছন্দ করবে। 

গুড়ি প্রস্তুতি
আতপ চাল দিয়ে এই পিঠা বানাতে হবে। সিদ্ধচাল দিয়ে ভাল হবে না। অনেকে হয়ত সিদ্ধাচাল দিয়ে বানানোর প্রসেস আবিস্কার করেছে। তাদেরটা তাদের কাছেই থাক। নতুন আতপ চাল হলে ভাল হয়। চাল গুড়া করার পর নতুন নতুন বানিয়ে ফেলতে হবে। চুলায় রুটি বানানোর খামির যেভাবে বানায় আটা সেদ্ধ করে সেভাবে চালের গুড়ি দিয়ে খামির তৈরি করতে হবে। গরম পানি, গুড়ি এবং সামান্য লবন দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। গরম পানিতে দিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যেই সেদ্ধ হয়ে যাবে। নামানোর পর অবস্থা অনেকটা এমন হবে। 


কাঈ করা 
এরপর একে ভালভাবে মথতে হবে। মথার সময় হাতে সয়াবিন তেল মেখে নিয়ে খামির/কাঈ হাতে লেগে যাবে না। কাঈ যদি শক্ত হয় তাহলে মথতে ভালই কষ্ট হবে। তখন অল্প করে গরম পানি</description>
      <pubDate>Mon, 28 Apr 2025 18:09:30 GMT</pubDate>
      <category>রেসিপি</category>
    </item>
    <item>
      <title>যাদের শরীরে বিভিন্ন ব্যথা, দুর্বলতা ও ভয়াবহ স্বপ্ন (সেক্সুয়াল হোক বা অন্য কিছু) রয়েছে</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/custom-ruqyah</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/custom-ruqyah</guid>
      <description>আপনাদের জন্য পরামর্শ হল প্রতিদিন

তেলাওয়াতঃ

১। সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, তিনকুল - ৪৫ মিনিট।
২। সুরা বাকারা - ৩০ মিনিট।
৩। সুরা আরাফ ১১৭-১২২, সুরা ইউনুস ৮১-৮২, সুরা ত্বহা ৬৯ নং আয়াত - ২০ মিনিট।
৪। সুরা ইয়াসিন, সফফাত, জিন, দুখান, যিলযাল - একবার করে। মনেহয় ৪০ মিনিট লাগবে পড়া চালু থাকলে।
৫। ব্যথার দুআ&apos; টাও পড়বেন কয়েকবার

মোট ১৫৫ মিনিট তেলাওয়াত করবেন। তেলাওয়াত করার সময় একদিন রেকর্ড করবেন। এটা পিরিয়ডের সময় কাজে লাগবে। রেকর্ড শুনতে পারবেন। পারলে আরও বেশি পড়বেন।

 পানি খাওয়া ও গোসলঃ প্রতিদিন পড়ার পর পানিতে ফু দিবেন। এই পানি সারাদিন খাবেন ও গোসলের আগে ১ গ্লাস গোসলের পানিতে মিক্স করে গোসল করবেন। মাঝে মাঝে ৭ টা বরই পাতার বেটে গোসলের পানির সাথে দিবেন।

তেল লাগানোঃ একই ভাবে তেলেও ফু দিবেন। এক বোতল অলিভ ওয়েল নিয়ে তেলে ফু দিবেন। প্রতিবার পড়ার পরেই ফু দিবেন। এই তেল রাতে ঘুমের আগে সারা গায়ে মেখে ঘুমাবেন। হায়েজ থাক বা না থাক এই তেল সারা গায়ে লাগাতে পারবেন।

বাড়তি কাজঃ
১। সালাত কাযা করা যাবে না। কবীরা গুনাহ করা যাবে না।
২। আগের করা গুনাহের জন্য তওবা করবেন।
৩। বাবা-মায়ের সাথে ভাল ব্যবহার করবেন।
৪। সকাল, সন্ধ্যা ও ঘুমের আগের মাসনুন আমল প্রতিদিন করবেন। মেয়েরা পিরিয়ড থাকলেও করতে পারবেন।
৫। গায়ে, ঘরে কোনো তাবিজ থাকলে খুলে নষ্ট করে তওবা করে তারপর রুকইয়াহ শুরু করবেন।</description>
      <pubDate>Thu, 13 Jun 2024 14:26:28 GMT</pubDate>
      <category>জ্বিন</category>
    </item>
    <item>
      <title>বাংলাদেশের বিভিন্ন রাক্বির নাম ও যোগাযোগের উপায়</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/raqilist</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/raqilist</guid>
      <description>[লিস্ট দিয়েছি বলেই দৌড় দিয়ে চলে যাবেন না। নিজ দায়িত্বে খোজখবর করে যাবেন। ভাল যদি মনে না করেন যাবেন না। ভালমত জেনে বুঝে যাবেন। নিচের লেখাগুলো পড়ে নিবেন। লিস্টের রাকি ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে অন্যান্য রাকি থাকতে পারে। এমন না উক্ত প্রতিষ্ঠানে শুধু মাত্র এই রাকিরাই বসেন।

১. রাকি কে/কী

২. একজন রাকির স্বভাব-চরিত্র কেমন হওয়া উচিত

৩. রাকিদের বিষয়ে দায়মুক্তি

৪. রুকইয়াহর ফি কি অতিরিক্ত?

৫. সরাসরি রুকইয়াহ করলে কি ঘটতে পারে

৬. রাকির পারিশ্রমিক ]

 📣ঢাকা
প্রতিষ্ঠানঃ ইবাদাহ রুকইয়াহ সেন্টার।
রাকিদের নামঃ নাজমুল হাসান, আবু বকর, আরিফ ওসমান, মুক্তাদির রহমান, আব্দুল্লাহ আলমাহমুদ
পেইজ লিংকঃ ইবাদাহ 
যোগাযোগঃ 01970220746
ঠিকানাঃ Jamtola Mor, Saddam market, Matuail, Dhaka, Bangladesh

নামঃ  ইবনে ইসহাক, নাজমুল হাসান
প্রতিষ্ঠানঃ সুকুন লাইফ 
পেইজ লিংক
ঠিকানাঃ ধানমণ্ডি ৩২, ১৪ নং রোড, সোবহানবাগ মসজিদের পিছনে, ঢাকা। 
ফোনঃ +8801915109430 (whatsapp and Call), 
01887753555.
সার্ভিস:রুকইয়াহ, হিজামা ও ইসলামি কাউন্সেলিং সার্ভিস। ঢাকা ও বাহিরে হোম সার্ভিস ব্যবস্থা আছে৷

নামঃ রাশেদুল ইসলাম। 
যোগাযোগঃ 01674556481
ঠিকানাঃ  মিরপুর ১২, ইস্টার্ণ হাউজিং, জে ব্লক, রোড ৫
পেইজ লিংক 

নামঃ মিনহাজুল হক 
প্রতিষ্ঠানঃ রুকইয়া নেস্ট
ঠিকানাঃ ৬৯৮/সি খিলগাও, (আন্সার ক্যাম্পের পাশে) ঢাকা। 
যোগাযোগঃ 01842279996
পেইজ লিংক 

নামঃ তাশফিকুর রহমান
স্থানঃ DIT , নারায়ণগঞ্জ ।
পেইজ লিংক 
(পুরুষ ও মহিলাদের হিজামার জন্য)

নামঃ আব্দুর রহমান 
স্থানঃ রিয়াজ সুপার মার্কেট, DIT, নারায়ণগঞ্জ। 
পেইজ লিংকঃ https://www.facebook.com/RuqyahPointBD
ফোন এবং whatsapp: 01798882282


📣 চট্টগ্রাম

নামঃ ফারহাত হোসেন
স্থানঃ রাহাত্তারপুল।
ফোনঃ 01912375299 (সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে ৭:৩০ এর মধ্যে ফোন করতে হবে)
পেইজ লিংক


নামঃ</description>
      <pubDate>Sat, 01 Jun 2024 09:38:31 GMT</pubDate>
      <category>জ্বিন</category>
    </item>
    <item>
      <title>এবার যারা হজ্বে যাচ্ছেন-৪ </title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-4</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-4</guid>
      <description>এবার যারা হজ্জ্বে যাবেন-১

এবার যারা হজ্জ্বে যাবেন-২

এবার যারা হজ্বে যাচ্ছেন-৩

আমার মনেহয় যতগুলা পর্ব হবে তার মধ্যে আজকের আলোচনা সবচে&apos; গুরুত্বপূর্ণ। আজকে বলব হারিয়ে যাওয়া এড়াতে এবং জিনিসপত্র হারানো এড়াতে যেসব বিষয় লক্ষ রাখতে হবে। 

১। সোদি এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে আপনি এক বাসে আপনার লাগেজ আরেক বাসে এমন যেন না হয়। বড় কাফেলাতে এই ঝামেলা হতে পারে। এক হোটেলের লাগেজ, আরেক হোটেলে চলে গেলে মহা ঝামেলায় পড়বেন। 

২। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে বাসে উঠার পর পাসপোর্ট জমা নিয়ে হাতে একটা ব্রেসলেট দিবে আর সৌদি আইডি কার্ড দিবে। ফিতা সহ আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে দিবে। এই দুইটা জিনিস দেশে আসার আগ পর্যন্ত এভাবেই রাখবেন। ফেরার সময় বাসে আবার আইডি কার্ড নিয়ে পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিবে। এর মধ্যে কোথাও হারিয়ে গেলে ব্রেসলেট আর কার্ড দেখিয়ে পুলিশের হেল্প নিতে পারবেন। ওখানকার পুলিশ খুবই হেল্পফুল এসব ব্যপারে। সালাত, গোসল, টয়লেট, ঘুমানো - কোন অবস্থাতেই এইগুলো ত্যাগ করবেন না। 

৩। প্রথমদিন ওমরা করার সময় এবং আরাফা থেকে মুজদালিফা হয়ে পাথর মারা ও মিনার তাবুতে ফিরে আসা এই দুই জায়গায় যদি আপনি না হারান তাহলে আমি বলব আল্লাহর খাস রহমত আপনার উপর আছে। আপনি ধরেই নিবেন এই সময়গুলাতে আপনি হারিয়ে যাবেন। সেজন্য কনফিডেন্স থাকতে হবে আপনি একা হয়ে গেলেও এই কাজগুলো শেষ করতে পারবেন। তাই হজ্ব ও</description>
      <pubDate>Wed, 08 May 2024 18:32:05 GMT</pubDate>
      <category>ইসলাম</category>
    </item>
    <item>
      <title>এবার যারা হজ্বে যাচ্ছেন-৩ </title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-3</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-3</guid>
      <description>এবার যারা হজ্জ্বে যাবেন-১

এবার যারা হজ্জ্বে যাবেন-২

আজকের পর্বে ফোন এবং স্মার্টফোনের ব্যবহার নিয়ে লিখব। সীম কার্ড নিয়েও লিখব। 

১। ধরা যাক, আপনি সীম টুতে whatsapp ব্যবহার করেন। ওখানে গিয়ে যখন সীম কিনবেন তখন সীম ওয়ান স্লটে নতুন সীম লাগাবেন। একই ডিভাইসে যদি স্লট পরিবর্তন করলেও সমস্যা হবার কথা নয়। তারপরেও কোন কারণে লগ আউট হয়ে গেলে সম্ভবত আর লগিন করতে পারবেন না। ওখান ইমু চলে। মেসেঞ্জারও চলবে। ফেসবুকও চলে। যতদুর জানি সৌদিতে এডাল্ট সাইট সরকারিভাবে নিষিদ্ধ এবং ভিপিএন ব্যবহারও নিষিদ্ধ। পুলিশে ধরতে পারলে খবর আছে। 

২। সৌদি এয়ারপোর্ট থেকে বের হবার পর কেউ আপনার কার্ড (এজেন্সে থেকে দেয়া) দেখতে চাইলে সতর্ক হোন। ওখানে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির এজেন্টরা ঘুড়ে বেড়ায়। কার্ড স্ক্যান করে ফেললে আপনি অই কোম্পানির সীম ছাড়া অন্য কোম্পানির সীম কিনতে পারবেন না। 

৩। সৌদি টেলিকম কোম্পানি বা STC হল সরকারী। এর বাইরে Mobily আছে। আরও কি কি যেন আছে। ইব্রাহিম খলিল রোডে (ক্লক টাওয়ারের এদিকে) রাস্তার দুইপাশেই বিভিন্ন ফোন কোম্পানির এজেন্টরা বসে থাকে। একদিন ঘুড়াঘুড়ি করে ভালমত দেখবেন কোন কোম্পানির কি অফার। সেখান থেকে যেটা ভাল মনে হবে কিনবেন। 

৪। আমার মতে এমন ভাবে কেনা দরকার যেটাতে দেশে ও দেশের বাইরে কল করা যাবে। এইগুলা ভালভাবে বুঝে নিবেন। কথার কথা ৬০ মিনিট কিনলেন। এখানে ৩০ মিনিট ন্যাশনাল ও</description>
      <pubDate>Sun, 05 May 2024 18:27:18 GMT</pubDate>
      <category>ইসলাম</category>
    </item>
    <item>
      <title>এবার যারা হজ্জ্বে যাবেন-২</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-2</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-2</guid>
      <description>এবার যারা হজ্জ্বে যাবেন-১

১১। এজেন্সী থেকে জেনে নিবেন হাজী সাহেবদের লাগের আকার-আকৃতি ও ওজন কেমন হবে। সাধারনত ২৩ কেজি ওজনের ২ টা লাগেজ এবং ৮ কেজি ওজনের একটা হ্যান্ড লাগেজ নিতে দেয়। সৌদি থেকে হাজী সাহেবগন অনেক কিছু কিনে আনেন সাধারণত। আপনার নিয়ত এমন থাকলে বাংলাদেশ থেকেই লাগেজ নিয়ে যাবেন। ওখানে কিনতে গেলে তুলনামূলক দাম বেশি পড়বে। 

১২। দূর থেকে যেন লাগেজ চিনতে পারেন সহজে সেজন্য লাগেজের হ্যান্ডেলে বিশেষ রঙের কাপড় বেধে দিতে পারেন। আর লাগেজের গায়ে পার্মানেন্ট মার্কার দিয়ে নিজের নাম, পাসপোর্ট নাম্বার, বাংলাদেশি ফোন নাম্বার ইত্যাদি লিখে দিবেন। এজেন্সি থেকে বিশেষ কিছু লিখতে বললে সেটাও লিখবেন। 

১৩। ছুড়ি, কাচি, ব্লেড সহ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে এমন যেকোনোও কিছু হ্যান্ড লাগেছে নিবেন না। সব বড় লাগেছে দিবেন। বিস্ফোরিত হতে পারে এমন কোনও কিছু কোথাও নিবেন না। 

১৪। ফেরার সময় যদি এমন কিছু নেন (অনেকে চেয়ার কিনে ওখানে গিয়ে ) যেটা লাগেজে ঢুকবে না কিন্তু দেশে আনতে চান তাহলে সেটা লাগেজের উপরে বেধে এরপর ভালমত পলিথিন/স্কচটেপ দিয়ে পেচিয়ে দিবেন। র‍্যাপিং করার জন্য সৌদিতে একরকমের পলিথিন পাওয়া যায়। দাম ১০-২০ রিয়াল হতে পারে। একটা কিনে নিবেন। 

১৫। চোখের দেখায় হ্যান্ড লাগেজ যদি অতিরিক্ত ওজনদার মনে না হয় তাহলে সৌদি এয়ারপোর্টে আপনার লাগেজ ওজন করবে না। কাজেই অযথা হয়রানি/বিড়ম্বনা এড়াতে</description>
      <pubDate>Sun, 05 May 2024 18:21:55 GMT</pubDate>
      <category>ইসলাম</category>
    </item>
    <item>
      <title>এবার যারা হজ্বে যাবেন-১</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-1</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hajj-tips-1</guid>
      <description>(এটা কিছু টিপ্সের পোস্ট। হজ্ব কিভাবে করে না করে সেটা নিয়ে অনেক কিতাব আছে। সাম্প্রতিক সময়ে লেখা কোনও বিজ্ঞ আলেমের বই কিনে ভালমত স্টাডি করে নিবেন। হজ্ব সাধারণত একবারই করে মানুষ। 
কাজেই সব কাজ ঠিকঠাক মত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। আর হ্যা, পোস্ট ব্যবহৃত কোনও পরিভাষার ব্যখ্যা নাও দেয়া হতে পারে।) 

১। এবারও হজ্বের সময় প্রচন্ড গরম থাকতে পারে। কাজেই ভাল কাপড়ের ফোল্ডিং ছাতা এবং সানগ্লাস নিয়ে যাবেন। এইগুলা কোনভাবেই হারাবেন না। এসব জিনিসের দাম ওখানে দ্বিগুন-তিনগুন। 

২। দুই ফিতার স্যান্ডেল কমপক্ষে দুই জোড়া নিবেন। সোল একবারে নরম দেখে নিবেন না। দুপুরের সময় রাস্তায় তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের উপরে থাকতে পারে। বেশি নরম সোলের জুতা গলে যাবে। আপনার মত জুতা যদি আরও কারও কাছে থাকে তাহলে অবশ্যই জুতা বিশেষভাবে আগলে রাখবেন। ফিতার মধ্যে কাপড় বেধে রাখতে পারেন। 

৩। চেষ্টা করবেন শেষের দিকের ফ্লাইটে যেতে। এবং ক্বিরান হজ্বের নিয়ত করবেন। আর যারা ক্বিরান হজ্বের নিয়ত করেছেন এবং এফরাদ হজ্বের নিয়ত করেছেন তারা যত দেরিতে সম্ভব তত দেরিতে যাবেন। ইহরাম অবস্থায় থাকার কারণে ক্বিরান ও এফরাদ হাজিরা মাতাফে প্রবেশের সুযোগ পান। কাবার সামনে যেতে পারবেন, চত্বরে বসতে পারবেন। এ এক অন্যরকম শান্তি। ইহরাম ভাঙার পর যখন দুই তলা, তিনতলা, ছাদে তাওয়াফ করবেন তখন বুঝতে পারবেন বিষয়টা। 

৪। মাসজিদুল হারামের বিশেষ ইবাদত হল</description>
      <pubDate>Fri, 03 May 2024 17:27:13 GMT</pubDate>
      <category>ইসলাম</category>
    </item>
    <item>
      <title>তাবিজ নষ্ট করা, পেট পরিষ্কার করা – এসব কি আবশ্যক?</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/is-removing-taweez-and-cleansing-stomach-necessary</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/is-removing-taweez-and-cleansing-stomach-necessary</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম। আমি গত চার বছর যাবত বিচ্ছেদ যাদু, বদনজর ( কিছু জিন এর লক্ষন ও আছে) এ আক্রান্ত। তিন বছর যাবত চিকিৎসা করছি। গ্রুপ এর একজন রাকিব অধিনে। তিন বার সরাসরি, কয়েক বার অনলাইন এ আরও বাকি টা নিজে। এর মধ্যে আমাদের বিচ্ছেদ ও হয়ে যায়। আর আমার সমস্যা বারে কমে। বিয়ে বন্ধের যাদু আপাতত বেশি কষ্ট দিচ্ছে। আপনার কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যাদুর সুস্থতার জন্য যাদু নষ্ট করা, পেট এর যাদু বের হওয়া, (বমি হওয়ার জন্য অডিও দিয়েছেন কিন্তু বমি হয়ে না, সপ্ন খাওয়া চলতেই থাকে) তাবিজ খুঁজে বের করা কি জরুরি? এছাড়া সুস্থ হওয়া সম্ভব না বা সময় সাপেক্ষ? আমি কি আমার কি আরও কিছু করনীয় আছে? আপনার মুল্যবান সময় থেকে ও উত্তর দেওয়ার জন্য আগাম ধন্যবাদ। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। মানসিক প্রশান্তিতে রাখুন।

প্রশ্নটা পেয়েছি হাশাপে। 

এক কথায় জবাব দিলে জরুরী না। আমরা বরারই বলে থাকি যদি জাদুর জিনিস, তাবিজ, কবিরাজের দেয়া জিনিস থাকে তাহলে সেগুলো নষ্ট করবেন। নষ্ট করতে পারলে ইংশা আল্লাহ সহজ। 

তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা রুকইয়াহর ব্যাপারে জানার আগেই তাবিজ কোথাও ফেলে দিয়েছেন। অথবা নিয়মমত নষ্ট করেন নি, নিজের ইচ্ছামত করেছেন। তারা কী তাহলে রুকইয়াহ করবেন না? করবেন। 

তাবিজ নষ্টের সঠিক নিয়ম পাবেন এখানে। 

এখন আপনাকে কয়েকটা জিনিস করতে হবে।

১।</description>
      <pubDate>Sat, 06 Apr 2024 09:52:31 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>পরিবারের চাপে নার্সিং পড়া</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/study-nursing-under-family-pressure</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/study-nursing-under-family-pressure</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকু শায়েখ।

আমার বয়স ২০ বছর। আমার ফ্যামিলি চাচ্ছে আমি যে নার্সিং ক্যারিয়ার গড়ি। সেবা দিতে না চাইলে পরবর্তীতে টিচিং প্রফেশনে যুক্ত হই। কিন্তু আমি খুবই কনফিউজড। শুধু নারীদের সেবা করাতে আমার কোনও আপত্তি ছিলো না। কিন্তু বাংলাদেশের নার্সিং সিস্টেমটা এই রকম যে পুরুষদেরও সেবা দেয়া লাগবে। আমার কাছে ব্যাপারটা ভাল লাগে না। আর মনে হয় যে ভবিষ্যতে ভালো কোনো ফ্যামিলি আমাকে তাদের ঘরের বউ হিসেবে গ্রহণ করবে না। আমরা এমন একটা যুগ পার করছি যেখানে নারীদেরকে চাকরিক্ষেত্রে পাঠায় তার বাবা, ভাই কিংবা স্বামী টাকা কামানোর জন্য। আমি যদি নার্সিং প্রফেশনে না যাই তবুও আমাকে অন্য সেক্টরে চাকরি করে ইনকাম করতে হবে। গৃহিনী হয়ে থাকা যাবে না। এটাই আমার ফ্যামিলি চায়। মনে হচ্ছে আমি পরিস্থিতির স্বীকার। পিছু ফিরে তাকানোর সুযোগ নাই।

আমি জানতে চাচ্ছিলাম কোন প্রফেশনটা আমার জন্য সম্মানজনক হবে তাহলে? নার্সিং নাকি ভার্সিটি পড়ে বিসিএস দেওয়া? যদিও কোনও চাকরিতেই পরিপূর্ণ পর্দা করা যায় না। তবু এই নষ্ট সমাজে আমাকে চাকরি করতে হবে!! আফসোস! একটা সরল জীবনযাপন করার সুযোগ নেই! চাকুরিজিবি নারী হতেই হবে!

মেসেজটা পেয়েছি হাশাপে

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। 

প্রথম কথা হল, আমি কোনও শায়েখ না। সে ইলম, যোগ্যতা কোনটাই আমার নেই। আমি আপনাদের মতই একজন, সাধারণ লোক। 

দ্বিতিয়ত, এমন অভিভাবক থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই। আল্লাহ তায়ালা যেন এমন জাহেল অভিভাবকত্বে আমাদের</description>
      <pubDate>Sat, 06 Apr 2024 09:52:30 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>ঝাড়ফুক কি অশিক্ষিতদের অস্ত্র?</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/is-ruqyah-a-weapon-of-the-uneducated-people</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/is-ruqyah-a-weapon-of-the-uneducated-people</guid>
      <description>এতো শিক্ষিত হয়ে ঝাড়ফুঁক করেন কেন? 🙂

প্রশ্নটা পেয়েছি হাশাপে

এত মানে কত? আমি অত না।

আর সেজন্যই মনেহয় বিজ্ঞান প্রমাণ করতে পারে নি মানে সেটা নেই – এই দর্শণ গ্রহন করি নি। অন্ধবিশ্বাসের অভিযোগ যারা মুসলিমদের করে তারা নিজেরাই বিজ্ঞানের অন্ধভক্ত। আর ওহি অন্ধভাবে বিশ্বাস করারই জিনিস। বরং এটাই একমাত্র জিনিস। এর সাথে যে টক্কর দিতে আসবে তাকে ওহীর আলোকে যাচাই করে নিতে হবে।
কাজেই ওহীর দ্বারা সত্যায়িত বিষয়কে স্বীকার করে নেয়াই শিক্ষিত হবার লক্ষন। এতে কোন ধরনের সন্দেহ বেঈমানির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
এই আধুনিক যুগে এসেও যারা জ্বিন, জাদু, বদনজর বিশ্বাস করে না তারা আসলেই কুসংস্কারাচ্ছন্ন, পশ্চাদপদ, সত্যবিমুখ।

(প্রশ্নটা ফাজলামো হিসেবে করলেও উত্তর সিরিয়াসলি দিলাম)
</description>
      <pubDate>Sat, 23 Mar 2024 09:48:08 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>বাচ্চাদের আশিক জিনের সমস্যা?</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/lover-jin-of-kids</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/lover-jin-of-kids</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া। ছোট মেয়েদের কে কি আশেক জ্বীনে ধরে? বয়স ৪ বছর। প্রতিরাতেই ২ টার পর কেমন এডাল্ট সাউন্ড করে লাইক ব্যথা পাচ্ছে! ডানে বামে পাশে ফিরতে থাকে ঘুমের ঘোরে। আগে মাথায় কিছু আসেনি আমি উঠাই ওয়াশরুমে নিয়ে যেতাম। আশেক জ্বিন টাইপের কিছু বা মাথায় আসাতে আমার আর ঘুমই আসে না। 

বিঃদ্রঃ ও কোনো কারণ ছাড়াই টয়লেটে গিয়ে বসে থাকে। মাশা আল্লাহ ভালই খায় কিন্তু এ-ই খাওয়া কই যায় আল্লাহ জানে। মাত্র ১১ কেজি সে দুই বছর বয়স থেকে। ২ বছর বয়স থেকে পটি ট্রেইনিং করতাম। নিজে নিজে কমেডে উঠতে পারতো আর তখন থেকেই টয়েলেটে বসে থাকার অভ্যাস প্লাস ওয়েট গেইন করছে না। সব টাইপের ডক্টর+ওষুধ+ঘি, বাটার মানে ফ্যাট আছে এমন খাবার ট্রাই করে ফেলেছি এক সুতাও মোটা হয় না। এদিকে হাটতে গেলেও দিনের মধ্যে ১০ বার পড়ে যায় এতো দুর্বল। 

প্রশ্নটা পেয়েছি হাশাপে। 

এই বয়সের একটা বাচ্চাকে জ্বিনে ধরতে পারে। এটা দুর্লভ যদিও। তবে এই বয়সের একটা বাচ্চার সাথে জ্বিন সহবাস করবে (আশিক জ্বিন তো আপনারা এই সেন্সেই বুঝান) এটা চিন্তা করা কষ্ট। এই বয়সী একটা বাচ্চার কী আছে? কিছুই নেই। (আল্লাহ হেফাজত করুন) 

একটা একটিভ বাচ্চা (মানে দুষ্টামি করবে, খেলাধুলা করবে এমন। ফার্মের মুরগি না।) স্বাস্থ কম হবে এটাই স্বাভাবিক। সে যায় খায় তাই এনার্জিতে কনভার্ট হয়ে</description>
      <pubDate>Sat, 23 Mar 2024 09:45:45 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category><category>জ্বিন</category>
    </item>
    <item>
      <title>রোজার মাসে তো শয়তান বন্দি থাকে তাহলে এই সময় কিভাবে পাপ করে মানুষ? আর জিন-জাদুর সমস্যা শেষ হয় না কেন?</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/shaytan-in-ramadan</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/shaytan-in-ramadan</guid>
      <description>
রোজার মাস আসতে দেরি হইছে কিন্তু এই প্রশ্ন আসতে দেরি হয় নাই। এই প্রশ্নগুলা নতুন না, অনেক পুরনো। চার ইমামদের যুগ থেকেই এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়া হচ্ছে। আমরা যদি একটু ইউটিউবে খুজতাম বা গুগলে সার্চ করতাম তাহলে উত্তরগুলো অথেনটিক সাইট থেকে সহজেই পাইতাম।

হাদিসটা সহিহ বুখারি, সহীহ মুসলিমে এসেছে। সেখানে শয়তানকে বন্দি করা হয়, শিকলে আবদ্ধ করা হয় - এভাবে বলা হয়েছে। আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে (তিরমিজি শরীফে) শয়তানের পাশাপাশি &quot;মারিদাতুন জ্বান&quot; বা দুষ্টু জিনদের কথা বলা হয়েছে। শাইখ আহমাদুল্লাহ হাফিফাহুল্লাহ, ডা জাকির নায়েক, ওস্তাজ আব্দুল্লাহ আলমাহমুদ, আসিম আল-হাকিম, islamqa . info সাইট ইত্যাদি থেকে যা পেয়েছি এই বিষয়ে সংক্ষেপে লিখি।

হাদিসে যা আছে তাকেই বিশ্বাস করতে হবে। এখানে বিতর্ক/কনফিউশানের কিছু নেই।
পাপ কাজ করতে করতে মানুষ পাপে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। এই কারণে রমজান আসলেও পাপে জড়িয়ে থাকে। কোন চলন্ত গাড়ি ব্রেক করার সাথে সাথে থামে না, কিছুদূর গিয়ে থামে।
শয়তান বন্দি হয়েছে ঠিকই কিন্তু ক্বারীন জিনতো বন্দি হয় নি। সে সাথেই আছে।
মানুষ নফসের ধোকায় পড়ে পাপ করে।
মারিদতুন বলতে এখানে দুষ্ট/লিডারদের বলা হয়েছে। এসব লিডার দুষ্ট/লিডার বন্দি হয়। তাদের সহযোগীরা তো মুক্ত থাকে। তারাই শয়তানি অব্যাহত রাখে।
রমজানে শয়তানের ক্ষতি থেকে তারা বাঁচতে পারে যারা রমজানের হক্ব পুরোপুরি আদায় করতে পারে। রজমানের হক্ব আদায় করা কোনও সহজ বিষয় নয়।
জিন শয়তান বন্দি হলে</description>
      <pubDate>Wed, 20 Mar 2024 08:05:26 GMT</pubDate>
      <category>রুকইয়াহ</category>
    </item>
    <item>
      <title>পিতা-মাতার সাথে ঝগড়া করা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/upsetting-parents</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/upsetting-parents</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম, আমার মায়ের সাথে কিছু বিষয় নিয়ে আমার অনেক ঝগড়া হয়। আমিও কষ্ট দিয়ে কথা বলি কিছু, উনিও আমাকে বলেছে। ঘটনাটা আজকেই হয়েছে। আমি বুঝতে পারছি আমার এভাবে কথা বলা ঠিক হয় নি। এখন মায়ের সাথে কিভাবে ঠিক করবো সব বুঝতে পারছি না। যে বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়েছে সেটাও ঠিক হবে না। আমার অনেক খারাপ লাগছে। আপনি আমাকে কিছু পরামর্শ দিবেন দয়া করে?

পেয়েছি হাশাপে

দুঃখজনক। পরিবারের লোকজনের সাথে ঝগড়া করা দুঃখজনক ঘটনা। বাবা-মার সাথে হওয়াতো আরও দুঃখজনক। আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি নির্দেশনা দিচ্ছেন আমরা যেন বাবা-মার প্রতি “উহ” পর্যন্ত না করি। ঝগড়া তো অনেক দূরের বিষয়। সন্তানদের প্রতি বাবা-মায়ের অনুগ্রহ অত্যধিক বলেই আল্লাহ তায়ালা তাদের আনুগত্যের নির্দেশনা দিয়েছেন। 

হা, বাবা-মা যে সর্বদা সন্তানদের প্রতি ন্যায় আচরণ করবেন এমন নাও হতে পারে। বাবা-মা যদি সবচে’ বড় অপরাধ করেন অর্থাৎ কুফুরিও করেন, কাফিরও হন, তাহলেও তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না। তাদের অন্যায় কথা মানা যাবে না কিন্তু দুর্ব্যবহারও করা যাবে না। ভালভাবে বলার পরেও যদি তারা না শুনেন তাদের বোঝাতে থাকতে হবে। আর নাহয় আমরা নিজেরাও গুনাহগার হব। এক অন্যায় ঠেকাতে গিয়ে আরেক অন্যায় করে ফেলবো। 

কাজেই যা হবার হয়ে গিয়েছে। এখন যেটা করতে পারেন তা হল, মাফ চাইতে পারেন। এভাবে মাফ চাইতে পারেন যে, কষ্ট দিয়ে যেসব কথা বলেছেন</description>
      <pubDate>Fri, 15 Dec 2023 09:44:32 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>বিরূপ অবস্থা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hostile-situation</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hostile-situation</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম। জ্বিন জাদুতে ভুগছি অনেকদিন ধরে। নিয়মিত রুকইয়াহ করছি আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ তা’লা উত্তম পরিকল্পনাকারী এবং সর্বোত্তম প্রতিদান দানকারী। ঘরে বাইরে নানামুখী চ্যালেঞ্জ ফেস করছি।

একটা শেয়ার করতে মন চাইলো। গতকাল পাশের ফ্ল্যাটের ভাবি এসে ডাকেন। ভাল মনে করে দরজা খুলি আর ওনাকে দেখেই প্যানিক অ্যাটাক হয় (এর কি কারণ হতে পারে…) এরপর অবস্থা অনেকটাই খারাপ হয়। বাসায় দুইমাস হলো উঠেছি। তারপর আজ সকাল হতে না হতেই বাড়িওয়ালা এক কথায় বলল যে বাড়ী কয়েকদিনের মাঝেই ছেড়ে দিতে। সবাই নাকি খুব ভয়ে আছে বাসার আমার জন্য। এমন ভাবে বললো তোমাদের সব ফ্ল্যাশ হয়ে গেছে, মনে হল বাসায় আপত্তিকর কোন কাজ করা হয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়তে দিক। আমরা না কারোর কোনও ক্ষতি করেছি না কাউকে অপমানজনক কথা বলেছি। আমি শুধু অবাক হয়েছি যে মানুষ কিভাবে এমন অসুস্থ অবস্থা দেখার পরদিনই বাসা ছাড়তে বলে!!! আল্লাহ সবাইকে মনুষ্যত্ববোধ দান করুন। দুয়া করবেন আমার আর আমার পরিবারের জন্য।

মেসেজটা পেয়েছি হাশাপে

আল্লাহ সহজ করুন আপনাদের জন্য। আপনাকে অসুস্থ হতে দেখে সম্ভবত ভয় পেয়েছেন উনারা। জিন আক্রান্ত কাউকে বাসা ভাড়া দিতে চান না অথবা প্রতিবেশি হিসেবে চান না। এই কারণে এমন করছেন। আর উনাকে দেখেই কেন আপনি অসুস্থ হলে এটা আল্লাহই ভাল জানেন। আপনি যার পরামর্শে রুকইয়াহ করছেন তাকেও জানান ঘটনাটা।

আমার মনেহয় এমন এলাকায় বা এমন লোকের</description>
      <pubDate>Wed, 06 Dec 2023 09:36:05 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>অদ্ভুত কিছু ঘটনা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/strange-incidents</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/strange-incidents</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম। আমি জ্বীন জাদুর রুকইয়াহ করেই আগে থেকে। আমার সবরকম বাঁধা আছে। বয়স অনেক। লাইফে কিছু না হলেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তাহাজ্জুদ, জিকির, আজকার, কুরআন তেলাওয়াত; আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ। শান্তিতে আছি।

চাকরির জন্য দুআ করি সবসময়।

কন্টিনিউ তাহাজ্জুদের প্রথম দিকে দুর্ভাগ্য মুক্তির দুআ করলে অনুভব করলাম কপালের মাঝখানে একটা কিছু অদৃশ্য গোসল ঘুরছে। ব্যথার মতো ও অনেকটা।

এরপর আরও একদিন তাহাজ্জুদের পর ফজরে দুআ করতে করতে মনে চোখ দিয়ে দেখি কপালের দুই ভ্রুর কাঁটা থেকে বের হয়ে আসলো গোলাকৃতিরগুলি। গুলি ভেঙে গুড়ো করে আসলো মাটি। মাটির ভিতর থেকে মিললো ছোট ছোট আলপিন। তারপর উদিত হল অতীতের সেই স্বপ্ন টা। একটা বড়ো লম্বা সরু গাছ। সেই গাছের মগডালে পুটুলির মধ্যে বাঁধা অনেকগুলো তাবিজ।

আজ দুআ করে দেখি বড়ো তারকাঁটা কপালে। তারকাটা কপালে বাঁধলে মাথা গরম মন সংকীর্ণ লাগে। অনেক সময় কপালে দম করা তেল দিতে মন চায় কেন জানি না। কিন্তু দেই না। সেদিন রুকইয়াহ বইতে দেখি, কালো জিরার তেল কপালে মাখতে বলা।

কি কারণ, এমন হয় কেন?

মেসেজটা পেয়েছি হাশাপে

১। দুআ চাকুরীর জন্য নয় বরং দুআ করা উচিত উত্তম রুজির জন্য। আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই চাকরী থেকেও উত্তম রুজির দ্বারা আপনাকে পালন করতে পারেন। কাজেই চাইলে সবচে’ ভালটাই চাইবেন। আল্লাহর দরবারের তো কোনো কিছুর কমতি নেই। 

২। রুকইয়াহ কিভাবে করেন জানি না। রুকইয়াহ বইয়ে যেভাবে দেয়া</description>
      <pubDate>Sat, 02 Dec 2023 09:36:00 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>তর্ক থেকে বাঁচা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/avoiding-arguments</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/avoiding-arguments</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম। হাদিস থেকে আমরা জানি যে, সঠিক হওয়া সত্ত্বেও তর্ক ছেড়ে দেওয়ার কত ফযিলত। বাস্তব জীবনে এর উপর আমল করতে গেলে, তর্ক থেকে পিছপা হলে, মানুষ একে দুর্বলতা ভাবে। আবার এটাও ভাবে যে তারাই সঠিক ছিল এবং তর্ক তারাই জিতে গেছে!

তাহলে এক্ষেত্রে কিভাবে রেসপন্স করা উচিত? আপনার সুচিন্তিত মতামত আশা করছি। জাযাকাল্লাহ।

মেসেজটা পেয়েছি হাশাপে।

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কয়েকটা পয়েন্ট বলি। আল্লাহ উপকারী করুন আমার জন্য। আমীন।

কোন কাজ করার আগে আমাদের ভাবা উচিত যে, কাজটা আমরা কেন করব। কাজটি কি আমি নিজের নফসকে সন্তুষ্ট করার জন্য করছি নাকি আল্লাহকে খুশি করার জন্য করছি। যদি আল্লাহকে খুশি করার জন্য করে থাকি তাহলে মানুষ কী ভাবল তাতে কী আসে যায়! আর যদি নফসের জন্য, মানুষকে খুশি করতে করি তাহলে সেই কাজ নিঃসন্দেহে ব্যর্থ।
আপনি যদি তর্ক করেন অথবা তর্ক করা বাদ দেন তাহলেও প্রথম কথাটা প্রযোজ্য হবে। আপনি তর্ক করলেও যেন আল্লাহকে খুশি করার জন্য করেন। চুপ থাকলেও যেন আল্লাহকে খুশি করার জন্যই চুপ থাকেন। এতে করে সাময়িকভাবে আপনার নিজেকে অপদস্থ লাগলেও দীর্ঘমেয়াদে আপনিই জয়ী।
কোন বিষয়ে যদি চুড়ান্ত জ্ঞান না থাকলে তাহলে তর্ক করতে যাবেন না। যুক্তি-পাল্টা যুক্তি দিবেন না। বরং পড়াশুনা করবেন। বিষয়টা জানার চেষ্টা করবেন। ধরেন, আপনি সুরা ফাতিহার পর আস্তে আমীন বলেন। এখন কেউ এসে হাদিস থেকে আমীন জোরে বলার রেফারেন্স</description>
      <pubDate>Thu, 30 Nov 2023 09:36:07 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>ফেইক আইডি খুলা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/creating-fake-facebook-id</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/creating-fake-facebook-id</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম। একই নাম্বার দিয়ে একাধিক আইডি খোলা যায় বলেছিলেন পরামর্শে। আমি বুঝতে পারছি না এক্ষেত্রে কী নতুন আইডি যেভাবে খুলে সেভাবেই সব ইনফরমেশন দিয়ে ফেইক আইডি খুলতে হবে নাকি এখনকার আইডিতে নতুন প্রোফাইলের যে অপশন আছে সেটার স্টেপ ফলো করতে হবে? দুইটা আইডিতে একই নাম্বার ইউজ করলে এখনকার আইডিতে লগইন করা যাবে আর? কোনো সমস্যা হবে না তো? 

মেসেজটা পেয়েছি হাশাপে। 

প্রথম কথা হল, একই ফোন নাম্বার দিয়ে একাধিক আইডি varifiy করা যায়। শুধু মাত্র ফোন নাম্বার ব্যবহার করে লগিন করা লাগে এমন আইডি হলে একটাই আইডি খোলা যাবে ফেসবুকে। 

দ্বিতীয়ত, আশার কথা হল ফোন নাম্বার ছাড়াও ফেসবুক একাউন্ট খোলা যায়। সেটা হল ইমেইল দিয়ে খোলা যায়। আমার মতে যারা ফোন নাম্বার দিয়ে ফেসবুক খুলেছেন তারাও নিরাপত্তার খাতিরে একটা ইমেইল সেট করে ভারিফাই করে রাখা ভাল। ইমেইল এড্রেস দিয়ে ফেসবুক একাউন্ট খোলার পর একটা ইমেইল যাবে ফেসবুক থেকে। এটাকে বলে ভ্যারিফিকেশন ইমেইল। এটা খুলে অবশ্যই লিংকে ক্লিক করে ভ্যারিফাই করতে হবে। 

তৃতীয়ত, ফোন বা ইমেইল দিয়ে একাউন্ট খোলার পর এই দুইটা ব্যবহার না করে ফেসবুক লগিন করা সম্ভব। তাহল ইউজার আইডি। যেমন, আমাদের ইউজার আইডি হল bonjui . কাজেই আমার ফেসবুকে আইডির লিংক হল http://www.facebook.com/bonjui আমি লগিন করার সময় ফোন নাম্বার বা ইমেইল দেই না। bonjui লিখি আর পাসওয়ার্ড</description>
      <pubDate>Tue, 28 Nov 2023 09:25:05 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>কাদের অনুসরণ করি</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/people-i-follow</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/people-i-follow</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম ভাই। বাংলাদেশ বা দেশের বাইরের (১) কয়েকজন আলেমের নাম বলুন প্লীজ যাদের আপনি অনুসরণ করেন বা অনুসরণ করা যেতে পারে বলে মনে করেন। প্লীজ এটার উত্তর দিবেন।

(২) আমার বই পড়ার প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহ কখনই ছিল না। একদমই না। একাডেমিক বই ছাড়া অন্য কোনো বই আমার তেমন পড়া হয় নি কখনই। সেটা ইসলামিক হোক বা অন্য কোন গল্প উপন্যাস। কিন্তু আমার প্রায়ই মনেহয় ইলমের জন্য বই পড়া দরকার আমার। কারণ দ্বীনের দিকে আসলেও আমার ইলম খুবই কম। তাই আমাকে ৩-৪ টা ভাল বইয়ের নাম বলুন যেটা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।

(৩) বই না পড়ার যে তীব্র অনাগ্রহ সেটা কাটাতে কি করা যেতে পারে বা বিকল্প কি?

উত্তরগুলো দিলে আমি খুবই উপকৃত হব। আসসালামু আলাইকুম।

পেয়েছি হাশাপে

কাদের অনুসরণ করি 
আমি নির্দিষ্ট কাউকে অনুসরণ করি না। একেক বিষয়ে একেকজনকে অনুসরণ করি। যেমনঃ

সাধারণ মাসয়ালা-মাসায়েল যথাসাধ্যে স্থানীয় মুফতি সাহেব থাকে জানার চেষ্টা করি। এছাড়া শাইখ জিয়াউর রহমান হুজুরের পরিচালিতে whatsapp গ্রুপে প্রশ্ন করি প্রয়োজনে। এছাড়াও মাওলানা হেমায়েত উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল মালেক প্রমুখদের মতামতকে প্রাধান্য দেই। এছাড়াও প্রয়োজনে হানাফি ফিকহ গ্রুপ, iom এর সাইট থেকে সাহায্য নেই। (হানাফি ফিকহ গ্রুপ এবং আইওএমের সাইট থেকে ফতোয়া নেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করি) 
রুকইয়াহর ক্ষেত্রে আমার সরাসরি ওস্তাদ হলেন রুকইয়াহ বইয়ের লেখক আব্দুল্লাহ আলমাহমুদ। এছাড়া উম্মে আব্দুল্লাহর লেখনি</description>
      <pubDate>Tue, 28 Nov 2023 09:25:02 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>কিভাবে রাকি হব?</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/how-to-be-a-raqi</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/how-to-be-a-raqi</guid>
      <description>অনেকে জানতে চান কিভাবে রাকি হওয়া যায়। আজকে পোস্ট এই বিষয়েই। এইগুলো মোটামুটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। কাজেই অন্যদের সাথে না মিলাটাই স্বাভাবিক। আমি যেহেতু পুরুষ সেহেতু পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লিখব। বাকি কোন নারী যদি রাকি হতে চান তাহলে প্রাসঙ্গিকভাবে মিলিয়ে নিবেন।
 
রুকইয়াহ নিয়ে কাজ করা, রাকি হওয়া কোনও সহজ কাজ নয়। কিছু সুরা-কালাম শিখলাম এরপর শুরু করে দিলাম মোটেও ব্যাপারটা এমন নয়। আবার অনলাইনে কাজ করা এবং অফলাইনে কাজ করার মধ্যেও পার্থক্য বিদ্যমান। রুকইয়াহ নিয়ে কাজ করতে চাওয়া মানে শুধু নিজে নয়, বরং পরিবারস্থ সবাইকে বিপদের মুখোমুখি করা। অনেকটা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার মত, আপনি যতক্ষন শক্তিশালী থাকবেন ততক্ষন আপনার কিছুই হবে না, কিন্তু শত্রুপক্ষ সবর্দা আপনাকে নানামুখি ষড়যন্ত্র দ্বারা ব্যতিব্যস্ত রাখবে।
 
কি কি চ্যালেঞ্জ আছে?
 
একজন মানুষ দুনিয়ার জীবনে কি কি বিষয় চাইতে পারে? আসুন দেখি।
টাকা
সম্মান
নারী
ক্ষমতা

ক) একজন Full time রাকির টাকার অভাব হবার কথা না। প্রথমদিকে একটু কষ্ট হতে পারে রোগি যোগাড় করতে। প্রতিষ্ঠিত হবার পর আর অভাব হবে না। শিডিউল দিয়েও পাওয়া যাবে না। মাসে ৩০ জনকে সরাসরি রুকইয়াহ করালেও কমপক্ষে ৩০-৪৫ হাজার টাকা আসার কথা। যে আরও বেশি দেখবে তার আরও বেশি আয় করার সুযোগ থাকবে। এর বাইরে রুকইয়াহ নিয়ে বিভিন্ন কোর্স, ভিডিও, অনলাইন/অফলাইন কন্সালটেন্সি থেকেও আয় করা সম্ভব।
 
যেটা বলতে চাচ্ছি টাকাটাই একসময় পরীক্ষার কারণ হতে পারে।</description>
      <pubDate>Sat, 25 Nov 2023 05:40:45 GMT</pubDate>
      <category>রাকি</category><category>জ্বিন</category>
    </item>
    <item>
      <title>বাচ্চা না হওয়া প্রসঙ্গে</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/not-having-kids</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/not-having-kids</guid>
      <description>প্রথমেই এক ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। হয়ত ছয়মাস আগে বলেছিলাম এই বিষয়ে একটা লেখা লিখবো। দেরি করার জন্য দুঃখিত। এই লেখায় কিছু বিষয় থাকবে যার পক্ষে কোনো প্রমান নেই। কাজেই প্রমাণ চাইলে বিব্রত হব। বুঝে নিতে হবে সেগুলো সতর্কতার জন্য লেখা হয়েছে।

প্রথম কেসঃ ডাক্তারী সমস্যা

চেষ্টা করার পরেও যদি বাচ্চা না হয় তাহলে ভাল ডাক্তার দেখানো উচিত। এমন অনেক কাপল আছেন যারা অল্প চিকিৎসাতেই আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছেন। 


দ্বিতীয় কেসঃ নীল জগতে বসবাস

এটা মূলত পুরুষদের ক্ষেত্রে বলতে হয়। নীল জগতে ঘোরাঘুরি এবং যৌবন হেফাজত না করার কারণে ধীরে ধীরে সক্ষমতা হ্রাস পায় এবং একসময় অক্ষম হয়ে পড়েন। ( মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা হয় কিনা জানা নেই।) যেসব ভাই এই জগতের বাসিন্দা এবং এখনো বিয়ে করেন নি তারা এর ভয়াবহতা পুরোপুরি টের পাবেন না। বিয়ের পরে পেতেও পারেন। কাজেই নীল জগত বয়কট করতে হবে। তওবা করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে, ডাক্তারি পরামর্শ নিতে হবে। আল্লাহ চাইলে সক্ষমতা ফিরেও আসতে পারে। (অক্ষমতার বিষয়টি মুক্ত বাতাসের খোজে বইয়ে আছে)


তৃতীয় কেসঃ দেরি করে বিয়ে এবং সন্তান নিতে দেরি

এটাও সন্তান না হবার সম্ভাব্য কারন হতে পারে। ২০ বছর বয়সি তরুন-তরুনী সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা এবং ৩০ বছর বয়সি যুবক-যুবতীর সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা সমান না হবারই কথা। কাজেই বিয়ের পরে কিছুদিন ফুর্তি করি ভাবনার ভাই-বোনরা সময় থাকতে সাবধান হয়ে</description>
      <pubDate>Mon, 29 May 2023 17:15:55 GMT</pubDate>
      <category>যাদু</category><category>রুকইয়াহ</category>
    </item>
    <item>
      <title>মেয়েলি বুদ্ধি ব্যবহার করা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/using-female-instinct</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/using-female-instinct</guid>
      <description>“আসসালামু আলাইকুম। আচ্ছা, স্বামীর অবর্তমানে মেয়ের অভিভাবক কে হবেন? শ্বশুড়, নাকি মেয়ের নিজের বাবা অথবা ভাই? একটু কষ্ট করে জানাবেন কী?

আর স্বামী থাকাকালীন প্রথমে কী যে কোনো ব্যাপারে তার অনুমতি নেওয়া উচিত, নাকি তার বাবা-মায়ের? আমি যে কোন ব্যাপারে সবার আগে স্বামীর পরামর্শ, অনুমতি নিয়ে তারপর শাশুড়ীর অনুমতি নিই। এ কারণে শাশুড়ী প্রায়ই আমাকে বলেন উনাকে মূল্যায়ন করি না, উনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে যেন সব করি। স্বামীকে উনি জন্ম দিছেন, স্বামীর কাছ থেকে কেন অনুমতি নিতে হবে আমার? স্বামীর অনুপস্থিতিতে প্রায়ই আমাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিবেন বলে থ্রেট দেন। আমার স্বামীকে এ ব্যাপারে জানালে উনি যখন মাকে জিজ্ঞেস করেন তখন মা সব অস্বীকার করেন এবং স্বামীকে বোঝান যে আমি তার সাথে তার মায়ের দূরত্ব তৈরি ক্রয়ার জন্য এরকম বলি। আমি মিথ্যা বলি না – আমার চরিত্রের এ দিকটা সম্পর্কে আমার স্বামী জানেন, কিন্তু মা মিথ্যে বলবে এটাও উনি ভাবতে পারেন না। এটা অবশ্যই স্বাভাবিক যে সন্তান মাকে বিশ্বাস করবে। প্রায়ই এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। কীভাবে এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিবো বুঝতে পারি না। দয়া করে কোনো পরামর্শ দিতে পারবেন কী?”

মেসেজটা পেয়েছি হাশাপে।

এই মেসেজে দু’টো অংশ। একটা হল অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত, আরেকটা সাংসারিক টানা-পোড়ন। অভিভাবকত্ব অংশের জবাব বিজ্ঞ আলেমের কাছে বিস্তারিত বলে জানতে হবে। অন্য অংশ নিয়ে কিছু কথা লিখি।

আপনার</description>
      <pubDate>Sun, 28 May 2023 09:24:47 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>রাকিদের সতর্কতা কাম্য</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/safety-of-raqi</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/safety-of-raqi</guid>
      <description>একজন রাকি যখন রুকইয়াহ করে তখন নিজের সেফটির বিষয়টার পাশাপাশি নিজের প্রিয়জনদের সেফটির বিষয়টাও লক্ষ রাখতে হয়। এর একটা উল্লেখযোগ্য দিক হল নিজের কোনো তথ্য কোনো রোগীকে না দেয়া। এই পোস্টের উদ্দেশ্য সতর্ক হওয়া, ভুল না করা।

আমরা কথায় কথায় জিজ্ঞেস করি না, ভাই আপনার বাড়ি/দেশ কোথায়?

এই ভাই তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছিলেন তিনি তার বাড়ি বলার পর পরই বাড়িতে বিরাট গ্যাঞ্জাম শুরু হয়ে গিয়েছিল। এটা অনেক দূরের বিষয় হলেও অসম্ভব না।
কাজেই আমরা যারা এখানে কাজ করি, আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত।

ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে যত কম কথা বলা যায় ততই ভাল। এসব নিয়ে কথা বলে কোনো ফায়দা নেই। রাক্বি কী করে, বাড়ি কোথায় এসব জেনে রোগী কী করবে? রাক্বির সাথে খাতির করার কী দরকার? রাক্বিদের স্ত্রীদের সাথে আক্রান্তদের যোগাযোগ না থাকা উচিত।

 রাকিদের কেউ কেউ নিজ নাম ব্যবহার করেন না, উপনাম ব্যবহার করেন। এটাও খারাপ না, ভাল।
 অসুস্থ মেয়ে রোগীদের কাছে নিজের ঘরের কোনো মেয়ের (আগের থেকে পরিচিত না হলে) পারসোনালি এক্সেস না দেয়াই সতর্কতা। ফোন নাম্বার, ফেসবুক আইডি ইত্যাদি।
নিজ বাসায় রুকইয়াহ করার দ্বারা নিজের পরিবারের লোকজনের বিপদ ডেকে আনার সম্ভবনা তৈরি হয়। কাজেই যারা এমন করছেন তারা সতর্ক হওয়া দরকার।
যাদের ভিজিটিং কার্ড আছে তাদের কার্ডে নিজের নাম্বার আর বসার স্থানের ঠিকানা ছাড়া অন্য ঠিকানা/নাম্বার না দেয়াই সতর্কতা।
মাঝে মাঝে মনেহয় কন্সাল্ট করার সময়</description>
      <pubDate>Fri, 26 May 2023 09:36:17 GMT</pubDate>
      <category>জ্বিন</category><category>রুকইয়াহ</category>
    </item>
    <item>
      <title>বাচ্চাদের জিন আক্রান্তের লক্ষন</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/symptomps-of-jinn-for-kids</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/symptomps-of-jinn-for-kids</guid>
      <description>বাচ্চাদের কি জিন আক্রমন করে? কিভাবে বুঝবো আমার বাচ্চা জিন আক্রান্ত কি না?

আমি আগেও বলেছি, এখনো বলছি একটা বাচ্চার প্যারানরমাল প্রবলেম হয় তার বাবা-মার গাফিলতির কারণে। হয়ত বাবা-মা আমলদার নয়, হয়ত যতটুকু আমলদার হবার কথা ছিল ততটুকু নয়, হয়ত ছোট থেকেই হারাম কোন তাবিজ লাগিয়ে দিয়েছে গায়ে, হয়ত বদনজর, জিন, জাদু থেকে নিজেকে এবং বাচ্চাকে বাঁচাতে যা যা করা দরকার সেগুলো করে না। এসব কারণেও সন্তান আক্রান্ত হতে পারে।

নিচের বাইরের ওয়েবসাইট অবলম্বনে কিছু লক্ষন দেয়া হল। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই এসব লক্ষণের কিছু কিছু স্বাভাবিক হতে পারে। কাজেই কয়েকটা লক্ষন মিলে গেলেই নিজের বাচ্চাকে জিনের রোগী ভাবার কোনো কারণ নেই। সত্যিকারভাবে জানার একমাত্র উপায় হল রুকইয়াহ করা।

লক্ষনসমূহঃ

১। হুট করে অনিদ্রায় আক্রান্ত হওয়া বা ঘুমাতে ভয় পাওয়া

২। টয়েলেটে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা

৩। আয়নার দিকে তাকিয়ে কথা বলতে থাকা

৪। শরীরে এখানে ওখানে ব্যথা করে – এমন অভিযোগ করবে

৫। ঘুম থেকে উঠলে মাথা ব্যথা করা

৬। একা একা উপরের ঘরে/নিজের ঘরে/এই ঘর থেকে ঐ ঘরে যেতে ভয় পাওয়া

৭। এমন কুরূচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলা যা একটি শিশুর ব্যক্তিত্বের সাথে মিলে না।

৮। স্বপ্নে সাপ, কুকুর, সিংহ অথবা অন্য কোন প্রানী বা মানুষ তাকে ধাওয়া করছে এমন দেখা।

৯। অদ্ভুত কাজকর্ম, ভুল-ভ্রান্তি করা এবং করতেই থাকা যেন কেউ তাকে উস্কে দিচ্ছে করার জন্য। সে জানে এটা করা</description>
      <pubDate>Fri, 26 May 2023 09:31:16 GMT</pubDate>
      <category>জ্বিন</category><category>রুকইয়াহ</category>
    </item>
    <item>
      <title>জায়নামাযের নকশায় ছবি দেখা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/design-of-prayer-mat</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/design-of-prayer-mat</guid>
      <description>আমি যখন নামাজ পড়ার সময় জায়নামাজে বিভিন্ন আকৃতির ছবি দেখতে পায় জায়নামাজ ছাড়া পড়লেও দেখতে পায়। মাঝে মাঝে ভয়ানক আকৃতির লাগে। আগে আন্তরিকতার সাথে নামাজ পড়তে পারতাম একন পারিনা। নামাজের শুরুতে দোয়া পড়লেও জায়নামাজে ছবি দেখি।

পেয়েছি হাশাপে।

প্রথমত, বাংলা লিখতে যত্নবান হোন। অনেকটা ভাল হয়েছে আগের চেয়ে। আরেকটু যত্ন নিলে আরও ভাল লিখতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত, সালাতে জায়নামাযের নকশার দিকে মনযোগ যেন না যায় সেদিকে লক্ষ করতে হবে। এটা তখনই হবে যখন যখন সালাতে কী তেলাওয়াত করছি তার দিকে মন দেই। তেলাওয়াতের মাখরাজের ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা, যা পড়ছি তার অর্থ বুঝতে পারছি কিনা। অর্থাৎ সহিহভাবে বুঝে বুঝে তেলাওয়াত করছি কিনা এসব খেয়াল করতে থাকলে ইংশা আল্লাহ অন্যকিছু মাথায় আসার সুযোগ পাবে না।

তৃতীয়ত, এখান থেকে ওয়াসওয়াসা সিরিজ পুরোটা পড়া যেতে পারে মন দিয়ে। উপকারী হবে ইংশা আল্লাহ।

চতুর্থত, বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিবেন। তাদের কাছে আরও ভাল পরামর্শ থাকতে পারে।
</description>
      <pubDate>Fri, 26 May 2023 09:19:05 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>আমলে স্বাদ না পাওয়া</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/not-having-satisfaction</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/not-having-satisfaction</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম, আমি রেগুলার মাসনুন আমল করি আলহামদুলিল্লাহ। মাঝে মাঝে বাদ যায় দুই এক বেলা তাও শুধু বাইরে থাকলে বা মেয়েদের বিশেষ সময়ে। ইদানিং আমার আমলে স্বাদ ছুটে যাওয়ায় আমি আমার গুনাহের লিস্ট খুজছিলাম। দিন দিন আমার আমলের স্বাদ না পাওয়া খুব কষ্ট দিচ্ছে। আর গত দুইদিন যাবত নামাজে দাড়ালেই দম বন্ধ হয়ে আসছে, বুক ধরফর করতেছে, নামাজ দীর্ঘ করলে হাত পা কাপছে। সিজদাহ্‌ দীর্ঘ করতে পারিনা, এখন নামাজ পড়ার কথা মনে হলেই কান্না আসে। আমার কি রুকইয়াহ রিলেটেড কোনও সমস্যা? তাহলে কিসের রুকইয়াহ করবো?

হাশাপে পাওয়া মেসেজ। 

আপনার জন্য পরামর্শ হলঃ

১। নজর হেফাজত হচ্ছে কিনা লক্ষ করুন।

২। গোপন গুনাহ হচ্ছে কিনা লক্ষ করুন।

৩। আমল করতে করতে একটা সময় এমন আসতে পারে, আমল করতে ভাল লাগে না, ইচ্ছা করে না। মূলত এটা একটা পরীক্ষা ইচ্ছা না করলেও, ভাল না লাগলেও আমরা আমল করি কিনা – সেই পরীক্ষা। এতে সবর করে উত্তীর্ন হতে হবে। তাহলেই আমার স্বাদ ফিরে আসবে।

৪। বাবা-মার সেবা করবেন। তাদের দুআ’ নিবেন।

৫। জ্বি, বদনজরের রুকইয়াহ করতে পারেন।

৬। মাসনুন আমল কোনও ভাবেই ভুলে যাবেন না। বাইরে গেলে (প্রয়োজনে) আরও গুরুত্ব দিয়ে মাসনুন আমল করবেন। আর হায়েজের সময়ও করবেন। গড়িমসি করে মাসনুন আমল বাদ দিবেন না। এর কোনও অজুহাত চলবে না। একদিনের গড়িমসি বছর বছর কষ্টের কারণ হতে পারে।
</description>
      <pubDate>Fri, 26 May 2023 09:18:56 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>আয়াতুল কুরসি, হাদিসের দুআ’ দেয়ালে টানানো</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hanging-ayatul-kursi-on-wall</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/hanging-ayatul-kursi-on-wall</guid>
      <description>কোরআনের আয়াত বা সুরা যেমন আয়াতুল কুরসি, আয়াতে শিফা, তিনকুল অথবা হাদিসে বর্ণিত বিভিন্ন দুয়া এগুলো প্রিন্ট বা বাধাই করে কি ঘরের দেয়ালে টানিয়ে রাখা যাবে?

প্রশ্নটা পেয়েছি হাশাপে

এটা একটা Yes/No Question. এই প্রশ্নের জবাব প্রশ্নদাতার মত করে দেয়া আমার অধিকারভুক্ত না। এটা বিজ্ঞ মুফতি সাহেবদের কাজ। আপনি পোস্ট করছি কিছু পাল্টা প্রশ্ন করার জন্য।

আমার প্রশ্ন হল, এই কাজটা কেন করবেন? ঘরের সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য? কুরআনের আয়াত, হাদিসের দুআ দিয়ে ঘরের সৌন্দর্য্য বর্ধন করছেন ব্যাপারটা কেমন না? ঘর সাজাবার জিনিসের কি অভাব পড়ে গেল?

তাহলে কি সুরক্ষার জন্য করবেন? এভাবে সুরক্ষা নেয়ার কোনও উপায় কুরআন-সুন্নাহতে আছে বলে আমার জানা নেই।

কুরআন হচ্ছে তেলাওয়াত করার জন্য, পড়ার জন্য। কুরআনের প্রথম কথাই ছিল, ইক্‌র (অর্থাৎ পড়ো)। হাদিসের দুয়া আল্লাহর কাছে চাইবার জন্য। এভাবে টানানোর দ্বারা না এটা পড়া হয়, না কোনও দুআ করা হয়। আবার এর উপর ময়লা ধুলাবালি পড়ে বা অন্যকোনও ভাবে অবমাননার আশংকা আছে।
এক ধরনের ব্যবসাও এখানে করা যাবে। সুন্দর করে লিখে বাধাই করে টানানোর ব্যবসা।

কুরআনের সবচে’ উপযুক্ত স্থান মানুষের অন্তর। তার কথাবার্তা, চালচলন, আচার-ব্যবহারে কুরআন-সুন্নাহ ফুটে উঠবে। মুনাজাতে থাকবে হাদিসের দু’আ।

টানানোর কথা না ভেবে আমাদের এদিকটাতে মনোনিবেশ করা উচিত।

আল্লাহই ভাল জানেন।
</description>
      <pubDate>Fri, 26 May 2023 09:18:14 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>বেছে বেছে উত্তর দেই</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/answering-selective-questions</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/answering-selective-questions</guid>
      <description>আমি কতগুলা ম্যাসেজ দিলাম একটারও রিপ্লাই পেলাম না। আপনি কি বেছে বেছে ম্যাসেজ এর রিপ্লাই দেন?

এটাও পেয়েছি হাশাপে।

জ্বি, সব মেসেজের জবাব দেই না। কিছু ক্রাইটেরিয়া বলি।

১। বাংলিশের জবাব দেই না।

২। একই টপিকে একাধিক মেসেজ আসলে হয়ত একটার জবাব দিব।

৩। অর্থহীন মেসেজের জবাব দেই না। হাই, হ্যালো, কেমন আছেন – এই টাইপের মেসেজগুলো হল অর্থহীন মেসেজ।

৪। ব্যক্তিগত প্রশ্নের জবাব দেই না। কোথায় থাকেন, ফ্যামিলিতে কে কে আছে, কী খাবার পছন্দ, কী করতে পছন্দ করেন – এসব হল ব্যক্তিগত এবং গুরুত্বহীন প্রশ্ন। এসব জানিয়ে আমার কোনও লাভ নেই, জেনেও অন্যদের লাভ নেই।

৫। অন্যদের নিয়ে করা প্রশ্নের জবাব সাধারণত দেই না। একবার প্রশ্ন এসেছিল, অমুক কি মাসনা করবেন? জানেন কিছু? উত্তর দিতে নিয়েছিলাম, অমুকে করবে কিনা তাকেই জিজ্ঞেস করেন। আমাকে কেন? তিনি করলেও আমার কিছু না, না করলেও কিছু না। পরে আর দেই নি। যার জন্য প্রশ্ন করেছে, তাকে দেখালাম। পরে দেখা গেল তার ঘনিষ্ঠ লোকই দিয়েছে। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলাম যে, এই উত্তর দেই নি।

৬। এর মধ্যে কিছু মেসেজের জবাব দিতে পারি নি এক লোকের কারণে। সেই লোক অনেক অনেক মেসেজ দিয়ে ফ্লাডিং করেছে। তখন কিছু মেসেজের জবাব দেয়া হয় নি।
হাশাপ মূলত এমন কথা বলার জন্য ব্যবহার করে যেটা সামনাসামনি বা পাব্লিকলি বলা যায় না। সম্পর্ক খারাপ হবার আশংকা থাকে, মন খারাপ</description>
      <pubDate>Fri, 26 May 2023 09:12:19 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
    <item>
      <title>দেশি প্রসাধনী ব্যবহার করা</title>
      <link>https://amarbokbok.vercel.app/blogs/using-local-cosmetics</link>
      <guid isPermaLink="true">https://amarbokbok.vercel.app/blogs/using-local-cosmetics</guid>
      <description>আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

আপনি দেশীয় পণ্য নিয়ে লেখেন। মাশাআল্লাহ খুব ভাল। প্রসাধনী সামগ্রী নিয়েও লেখেন। ফেইসওয়াস, সাবান, ময়েশ্চারাইজার ইত্যাদি।যেগুলো অথেনটিক, পিএইচ ব্যালান্সড।
আচ্ছা এরপরের অংশটুকু আর দিলাম না। কারণ প্রমোশন হয়ে যেতে পারে।

(মেসেজটা পেয়েছি হাশাপে)

প্রাণের পণ্য নিয়ে লেখার সময় লিখেছিলাম, দেশের প্রসাধনীর বাজার প্রাণের দখলে নেই। মূলত দেশিয় কোম্পানির দখলে নেই। প্রসাধনী হয় নকল নাহলে বাইরের। অল্প কিছু আইটেম বাজারে দেখি যা দেশি। আসলে প্রসাধণী নিয়ে এত চিন্তা নেই। একটা হলেই হল টাইপের মনোভাব।

বাজারে সাবান আছে কেয়ার, স্কয়ারের, এসিআই, মমতাজ হারবাল ইত্যাদি। সুপার শপে হয়ত আরও আছে। ডেটল সাবানটা কি দেশি? মনে হয়। স্যান্ডেলিনা দেশি।
ম্যারিকো হল মাল্টিন্যাশনাল। অর্থাৎ প্যারাসুট।

সবচে’ ভাল হল, নিজেরা ঘরে সাবান, ফেসওয়াস, ময়েশ্চারাইজার তৈরি করে নেয়া। যার যেটা লাগে আর কি! ইউটিউব দেখে অল্প করে বানিয়ে ট্রায়াল দিয়ে দেখবেন স্যূট করে কিনা। যদি না করে তাহলে পরিবর্তন করতে হবে।

সাবানের পিএইচ কত হলে ব্যালেন্সড হয় জানা নাই। তবে সাবান ক্ষার ধর্মী হবে। অর্থাৎ পিএইচ ৭ এর বেশি হবে। যে সাবান ব্যবহার করলে চামড়া খসখসে না হয় সেটার ক্ষারত্ব কম হবে। সেটাই ব্যবহার করা যেতে পারে। দেশি সাবান ব্যবহার করতে চাইলে বাজারে যেগুলো পাওয়া যায় সেগুলো থেকে ব্যবহার করে দেখা যায়।

মমতাজের হারবাল সোপটা ভাল ছিল। এখন বাজারে দেখি না। এটা চুলেও দিতাম।

যার বাজেট বেশি তিনি হ্যান্ড মেড সোপ ব্যবহার করে দেখতে</description>
      <pubDate>Fri, 26 May 2023 09:12:18 GMT</pubDate>
      <category>হাশাপ মেসেজ</category>
    </item>
  </channel>
</rss>